অন্যান্য

গাজীপুরের নদী, খাল পুনরুদ্ধারে কাজ করবে নবগঠিত সবুজ আন্দোলনের কমিটি

নিজস্ব প্রতিনিধি:

পরিবেশবাদী সংগঠন সবুজ আন্দোলন জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ বিপর্যয় রোধে জনসচেতনতা তৈরিতে তৃণমূল জনগণের মাঝে কাজ করছে। ইতোমধ্যে সারা বাংলাদেশে সংগঠনের কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। গতকাল ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সবুজ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার ও মহাসচিব মহসিন সিকদার পাভেল ২১ সদস্য বিশিষ্ট গাজীপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেন। কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোঃ লেহাজ উদ্দিনকে আহবায়ক ও সাংবাদিক মনির হোসেন মানিককে সদস্য সচিব করা হয়েছে। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন ডাক্তার শফিকুল ইসলাম (কোনাবাড়ি), নাসির উদ্দিন বুলবুল ( টঙ্গী), মোঃ কফিল মাহমুদ ( সদর), শরিফ উদ্দিন সরকার (সদর), সাইদুর রহমান মোড়ল (কাপাসিয়া), মোহাম্মদ আল-আমিন (শ্রীপুর), উম্মে কুলসুম শিল্পী (কাপাসিয়া) মোঃ হাসান আলী (সদর), মাফিজুল ইসলাম রায়হান (কালিয়াকৈর), আবু সালেহ মুসা শেখ (টঙ্গী)। সদস্যরা হলেন আনোয়ার উল্লাহ হুমায়ুন, আব্দুর রশিদ মোল্লা, সায়েমা আক্তার মারুফা, মোঃ আশিকুর রহমান, জাফর আলী, মোতাহার হোসেন, আবু সালেক ভূঁইয়া, মাসুদ পাটোয়ারী ও নার্গিস হোসাইন, নুরুন্নাহার রানী, মাসুদ মিয়া, মিনা পারভিন ও বেলাল হোসেন। সংগঠনের চেয়ারম্যান বলেন, আমরা আশা করি গাজীপুর জেলার নতুন কমিটি পরিবেশ বিপর্যয় রোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে নিরাপদ করতে কাজ করবে। মহাসচিব বলেন, আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশকে সুন্দর করার দায়িত্ব আমাদের সকলের। গাজীপুর জেলার সকল নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের জন্য কাজ করবে। আহবায়ক কমিটির নেতারা। ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা গাজীপুর। ঢাকা শহর যেমন বসবাসের অনুপযোগী তেমনি ক্রমবর্ধমান শিল্পায়নের ফলে গাজীপুর জেলা ও বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেসরকারি একটি জরিপে উঠে এসেছে বাংলাদেশের মধ্যে সব থেকে বায়ু দূষণের শীর্ষে রয়েছে গাজীপুর । স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হতো ছোট বড় ৩০ টির অধিক নদী ও খাল। সময়ের প্রক্রিমায় বিলুপ্ত হতে হতে নদী ও খাল বিলীন হওয়ার পথে। যেগুলো অবশিষ্ট আছে তা চরমভাবে দখল ও দূষণের শিকার। আমাদের প্রথম কাজ হবে গাজীপুর জেলার নদী ও খাল খালকে দখল মুক্ত করে পানি প্রবাহ নিয়মিত করা। বিগত সময়ে ৩০ শতাংশেরও বেশি সবুজায়ান থাকলেও বর্তমানে তা কমে এসে দাঁড়িয়েছে ৫ ভাগে। সংগঠনের পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদার করা হবে। এজন্য প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাসহ সাধারণ জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। সংগঠনের কার্যক্রমকে বেগবান করার জন্য অতি দ্রুত জেলা কার্যালয় উদ্বোধন করা হবে।

আরও সংবাদ