রাজশাহী সারা দেশ

আদমদীঘিতে ৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও ‘পত্রিকা বিক্রেতা’

নেহাল আহম্মেদ প্রান্ত,নিজস্ব প্রতিবেদক:

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় ৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পত্রিকা বিক্রেতা আব্দুল আউয়ালের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলার পালোয়ানপাড়া গ্রামের আব্দুল আউয়াল দীর্ঘদিন যাবত উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা বিক্রি করতো। প্রায় দুই বছর আগে থেকে সে মাওলানা আব্দুল আউয়াল পীরজাদা নাম ধারন করে স্থানীয় কতিপয় মাওলানাদের সাথে ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য দিয়ে অধিক পরিচিতি লাভ করে। তাকে অনেকেই সৎ বলে জানতেন। সেই সুবাদে সাংবাদিক, এনজিও, হকার এবং অনেকের নিকট থেকে বিভিন্ন প্রলোভনে বিপুল অংকের টাকা কর্জ নেয়। তিনি পীরবংশের লোক দাবী করে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নামে অর্থও আদায় করতো। সে কিছু পত্রিকার এজেন্ট ও স্থানীয় হকার সমিতির একজন সদস্য। গত ১৫ মার্চ গভীর রাতে হটাৎ করেই আউয়াল তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে পালোয়ানপাড়া বাড়িতে তালাচাবি আটকিয়ে উধাও হয়। পরদিন সকালে তাকে না দেখে ও বাড়িতে তালা ঝোলানো দেখে এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্ঠি হয়। এরপর একে একে বেড়িয়ে আসে তার কর্জ নেয়া টাকার নানা কাহিনী। পাওনাদারবৃন্দ প্রেসক্লাব ও হকার সমিতিতে আসেন পাওনা টাকার হিসাব নিয়ে।

সাংবাদিক বেনজীর রহমান জানায় তার নিকট থেকে ৫ হাজার, হকার মুকুলের নিকট থেকে ২০হাজার, হকার সমিতির ১২ হাজার, তেতুলিয়ার আফাজ উদ্দিনের ৫০ হাজার টাকা, ব্যবসায়ী আতোয়ারের ১লাখ টাকা, বিভিন্ন পত্রিকার বকেয়া ও এনজিও সহ বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট থেকে প্রায় ৭ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে উধাও হয়। উধাও হওয়া পত্রিকা হকার আব্দুল আওয়ালের ব্যবহৃত ০১৭৩৪-০৩৩০১১ নম্বর মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগ করে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

আদমদীঘি হকার সমিতির সেক্রেটারি মুকুল মন্ডল ও ক্যাশিয়ার মকলেছার রহমান জানায়, বিভিন্ন মানুষের নিকট থেকে প্রলোভন দিয়ে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হওয়ার দীর্ঘ প্রায় আড়াই মাস অতিবাহিত হলেও কোন যোগাযোগ রাখেনি। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

আরও সংবাদ