জাতীয়

করোনাকালে সুযোগ নিচ্ছে জঙ্গিরা

করোনাভাইরাসের মধ্যেও থেমে নেই জঙ্গি তৎপরতা। বরং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নতুন করে দেশ-বিদেশে সংগঠিত হবার চেষ্টা করছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জেএমবি। যোগাযোগের জন্য বেছে নিয়েছে বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমকে। ভাইরাসটিতে মানুষ যখন ঘরবন্দী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ব্যস্ত জন-বান্ধব কাজে, তখন ঝোপ বুঝে কোপ মারার চেষ্টায় জঙ্গি সংগঠনগুলো। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টানা অভিযানে বিপর্যস্ত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ-জেএমবির কার্যক্রম কিছুটা স্তিমিত ছিল। করোনার সুযোগে মাথাচাড়া দিয়েছে ফের। কথিত শত্রু ধ্বংসে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে ময়মনসিংহের ত্রিশালের পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে ভারতে অবস্থান নেয়া দলটির উপমহাদেশীয় আমির শাইখ সালহুদ্দীন। সংগঠনটির সদস্য সংগ্রহে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, সৌদি প্রবাসী এক বাংলাদেশি প্রকৌশলী মোশতাক বিন আরমান। ২০১৭ সালে সৌদি যাবার পর থেকেই অনলাইনে চালাচ্ছেন, উগ্র মতাদর্শ ছড়ানোর কাজ। সম্প্রতি এমন ১৭ জনকে আটক করে পুলিশ। যাদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ছাড়াও রয়েছেন চিকিৎসক, প্রকৌশলী। ফ্লাইট বন্ধ হবার ঠিক আগে উমরাহ পালনের অজুহাতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষার্থী এবং ৭ জনের আরেকটি দলেরও সৌদি পালানোর তথ্য পায় পুলিশ। মেধাবী অংশের এমন জঙ্গি ভাবাদর্শে জড়ানো, সমাজের জন্য অ্যালার্মিং বলছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক এয়ার কমোডর অবসরপ্রাপ্ত ইশফাক এলাহী চৌধুরী। করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দায়, হতাশা থেকে জঙ্গি ভাবাদর্শে উদ্বুদ্ধ হওয়া বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট বলছে, তারা সতর্ক আছেন, প্রয়োজনে নজরদারি আরও বাড়াবেন।

আরও সংবাদ