ফিচার

ভালবাসার রঙে

ভালবাসার নির্দিষ্ট কোন সীমা-পরিসীমা নেই। নেই কোন বয়সের ভেদাভেদ। ভালবাসার এ উন্মাদনায় পিছিয়ে নেই ফ্যাশন হাউসগুলো। তরুণ-তরুণীদের কথা মাথায় রেখে ফ্যাশন হাউসগুলো ভালবাসা দিবসে বাজারে এনেছে নজড়কাড়া সব পোশাক। কারণ ভালবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে উপহার আদান প্রদান এক ধরনের রীতিতে পরিনত হয়েছে। সে সুবাদেই ফ্যাশন হাউসগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। পছন্দসই পোশাকটি পরে এদিনে একসঙ্গে ঘুরতে বের হবার আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হতেই এ প্রয়াস। বসন্তের পোশাক এবং ভালবাসার পোশাক শোভা পাচ্ছে পাশাপাশি। ভালবাসা দিবসের পোশাকে প্রাধান্য পেয়েছে আবহাওয়া। যে কারনে কাপড় হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছে কটন, এন্ডি কটন, জয়সিল্ক প্রাধান্য পেয়েছে। শাড়ির সঙ্গে কোয়র্টার এবং ফুলসিøভ ব্লাউজ সংযুক্ত হয়েছে। আবার ম্যাচ করা যুগল ড্রেসও রয়েছে। অর্থাৎ একই ডিজাইনে ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের পোশাক তৈরি হয়েছে। যা ভালবাসা দিবসে অন্যরকম আবহ সৃষ্টি করেছে। ভালবাসা দিবসের পোশাকগুলোর মধ্যে শাড়ি, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, সালোয়ার কামিজ, শর্ট পাঞ্জাবি, টি-শার্ট, টপস্ ইত্যাদি।

আরও সংবাদ